বিভাগের আর্কাইভঃ তথ্য কেন্দ্রের কার্যক্রম

UNIC Dhaka’s Activities

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বিতর্ক ও স্লোগান প্রতিযোগিতা

UNRC and UN agency staff members at IWD Day event at UNIC Dhaka

ঢাকা,  ৮ মার্চ ২০১৬: আন্তর্জাতিক নারী দিবস  উপলক্ষে গত ৮ মার্চ ২০১৬ ঢাকাস্হ জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র এক বিতর্ক ও স্লোগান প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই বিতর্কের বিষয় ছিল “ধরিত্রী  ৫০-৫০:২০৩০ সাল নাগাদ নারী পুরুষের সমতা অর্জন সম্ভব”। বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী রবার্ট ওয়াটকিন্স প্রধান অতিথি হিসেবে  বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। এছাড়া তিনি প্রশ্ন উত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঢাকাস্হ জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ কমিউনিকেশন ও অ্যাডভোকেসি গ্রুপ থেকে ইউনিডো প্রধান জাকি-উজ-জামান, ইউএনওডিসি প্রধান কামরুল ইসলাম এবং ইউনেস্কো,ইউএনএফপিএ এবং ডাব্লিউএফপির যোগাযোগ কর্মকর্তা যথাক্রমে নাইমা নার্গিস, আসমা আক্তার এবং মাহরিন আহমেদ বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন এবং বক্তব্য রাখেন। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জাতিসংঘ যুব ও ছাত্র সমিতি বাংলাদেশ (ইউনিস্যাব) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মডেল জাতিসংঘ সমিতি (ডুমুনা) অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।

আন্তর্জাতিক হলোকাস্ট দিবস ২০১৬ পালিত : আলোচনা ও পোষ্টার প্রদর্শনী

Holocaust Day event by UNIC Dhaka, Group Photoঢাকা, ২৭ জানুয়ারি ২০১৬: আন্তর্জাতিক হলোকাস্ট দিবস  উপলক্ষে গত ২৭ জানুয়ারি ২০১৬ ঢাকাস্হ জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র হলোকাস্ট নিপিড়নের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে এক আলোচনা সভা ও পোষ্টার প্রদর্শনীর আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারী দপ্তরের মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা মিকা কানেরভাভুরি এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঢাকাস্হ জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডঃ সায়মা আহমেদ, আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবু হেনা মোস্তফা কামাল । বক্তাগণ হলোকাস্ট  নিপিড়নের শিকার ব্যক্তিদের প্র্তি তাদের সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং পৃথিবীতে যে কোন ধরনের নির্যাতন ও গণহত্যার মত নৃশংস কাজের প্র্তি নিন্দা প্রকাশ করেন। এছাড়াও বক্তাদের অনেকেই এধরণের হত্যাকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে এবং প্র্তিটি ধর্মের প্র্তি শ্রদ্ধা এবং ইতিবাচক দৃষ্টভঙ্গি প্রদর্শনের কথা ব্যক্ত করেন। এ প্রসঙ্গে  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন দুঃসহ দিনগুলোর কথাও স্মরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকারী সবার মাঝে জাতিসংঘ মহাসচিবের বাণী এবং জাতিসংঘ বিষয়ক পুস্তিকা প্রদান করা হয়।

মানবাধিকার দিবসে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী রবার্ট ওয়াটকিন্স-এর নিবন্ধঃ আমাদের স্বাধীনতা – আমাদের অধিকার, চিরন্তনঃ মানবাধিকার দিবস ২০১৫

UNRC Photo১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। দিবসটি সব জাতির সকল মানুষের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ সাধারণ মানদণ্ডের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এ বছর আমরা মৌলিক স্বাধীনতা, যা মানবাধিকারকে তুলে ধরে এবং যা এখনও বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বে প্রাসঙ্গিক যেমন, ভয় ও দারিদ্র্যতা থেকে মুক্তি, বাক-স্বাধীনতা ও নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা, এ বিষয়গুলো স্মরণ করি। ২০১৫ সালের প্রতিপাদ্য ও শ্লোগান হলোঃ “আমাদের স্বাধীনতা – আমাদের অধিকার, চিরন্তন”।

বাংলাদেশ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আটটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এবং এর ফলে দেশটি কোন প্রকার বৈষম্য ব্যতিরেকেই প্রতিটি ব্যক্তি ও জনগনের নাগরিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক অথবা রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে অঙ্গিকারাবদ্ধ। অনেক বছর ধরেই বাংলাদেশ নারী ও কিশোরীদের প্রতি বৈষম্যের বিরুদ্ধে এবং শিশু অধিকার নিশ্চিত করার মত বিষয়গুলো নিয়ে জাতিসংঘের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার বিষয়ক রিপোর্টিং-এ সম্পৃক্ত ছিল এবং মানবাধিকার কাউন্সিলের ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ারের বাংলাদেশ সফরের আয়োজন করে। বাংলাদেশ বর্তমানে মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য এবং দেশটি একটি মানবাধিকার কমিশন গঠন করেছে, যার ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের দায়িত্ব অনেক বেড়েছে। এর মাধ্যমে স্পষ্ট ভাবে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সাথে মানবাধিকারকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের কাজ করার ইচ্ছার প্রকাশ ঘটে।
বিস্তারিত পড়ুন

আমাদের স্বাধীনতা – আমাদের অধিকার চিরন্তনঃ জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র কর্তৃক মানবাধিকার দিবস ২০১৫ পালিত

Guests take part in group song in Human Rights Day. Photo/UNIC Dhaka১০ ডিসেম্বের ২০১৫: মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে ঢাকাস্থ জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র এবং আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ যৌথভাবে বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে  ৯ ডিসেম্বর ২০১৫ একটি সেমিনার, নাটক ও কবিতা পাঠের আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার উপদেষ্টা মিকা কানেরভাভরি মুল বক্তব্য প্রদান করেন এবং অনুষ্ঠানে  সভাপতিত্ব করেন আশা ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর  অধ্যাপক ডালেম চন্দ্র বর্মন। দেশের প্রখ্যাত কবিদের মধ্যে কবি রুবি রহমান, কবি শিহাব সরকার ও কবি মুহাম্মদ সামাদ মানবাধিকার  বিষয়ক কবিতা পাঠ করেন। এছাড়াও “ গাহি সাম্মের গান” মঞ্চ নাটকটি  দর্শকদের সামনে মঞ্চস্থ হয়। জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান দিবসটি উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব এর বানী পাঠ করেন। .উক্ত অনুষ্ঠানে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন এবং তাদের সবাইকে মানবাধিকার বিষয়ক এক সেট করে জাতিসংঘ পুস্তিকা প্রদান করা হয়।

জাতিসংঘের মহাসচিবের উন্নয়ন অর্থায়ন বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা রানী ম্যাক্সিমার সংবাদ সম্মেলন

UNSGSA Queen Maxima in a press conference in Dhaka/Photo-UNIC Dhaka১৮ ঢাকা, ১৮ নভেম্বর ২০১৫: বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রনে গত ১৬ থেকে ১৮ নভেম্বর ২০১৫ জাতিসংঘ মহাসচিবের উন্নয়ন অর্থায়ন বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা নেদারল্যান্ডের রানী ম্যাক্সিমা বাংলাদেশ সফর করেন। সফরের সমাপ্তি দিনে গত ১৮ নভেম্বর ২০১৫ ঢাকাস্থ সোনারগাঁ হোটেলে একটি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী রবার্ট ওয়াটকিন্স সংবাদ সম্মেলনটি পরিচালনা করেন। এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ডঃ আতিউর রাহমান উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমের জ্যৈষ্ঠ সাংবাদিকবৃন্দ সংবাদ সম্মেলনটিতে অংশগ্রহণ করেন। জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ সফরকালে তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন। নেদারল্যাল্যান্ড দূতাবাসের সাথে যৌথভাবে এই সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজন করে জাতিসংঘ বাংলাদেশ ও ঢাকাস্থ জাতিসংঘ তথ্যকেন্দ্র।

জাতিসংঘের ৭০ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

UNRC speaks at UN Day symposiumঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০১৫: ২০৩০ সালের মধ্যে নতুন বৈশ্বিক লক্ষমাত্রাসমুহ অর্জনের জন্য বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী রবার্ট ওয়াটকিন্স সকল পক্ষকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। জাতিসংঘের ৭০ তম বর্ষপূর্তিতে স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই কথা বলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সচিব জনাব মিজানুর রাহমান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশের জাতিসংঘ সমিতির প্রেসিডেন্ট বিচারপতি ইবাদুল হক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের মুখ্য প্রবন্ধ পেশ করেন খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ ডঃ কিউ কে আহমেদ। এউএনএবি- এর মহাসচিব অধ্যাপক সৈয়দ মুহাম্মাদ শাহেদ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। অন্যদের মধ্যে জাতিসংঘের কর্মকর্তা, এনজিও এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ এবং ইউএনএবি-এর সদস্যগণ এতে অংশগ্রহণ করেন।

জাতিসংঘ দিবস ও জাতিসংঘের ৭০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘বিশ্বকে জাতিসংঘের নীলে রাঙিয়ে দাও’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

UN Blue Art Contestঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০১৫: জাতিসংঘ দিবস ও জাতিসংঘের ৭০ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঢাকাস্থ জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র, ঢাকাবাসী ও জাতীয় যুব ফেডারেশন যৌথভাবে শিশুদের জন্য একটি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এই প্রতিযোগিতার প্রতিপাদ্য ছিল ‘বিশ্বকে জাতিসংঘের নীলে রাঙিয়ে দাও’। পুরান ধারার ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন লালবাগ কেল্লায় অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন স্থানীয় এমপি হাজী মুহাম্মাদ সেলিম। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। অন্নদের মধ্যে, আয়োজক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ ও স্থানীয় সমাজসেবীগণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন-এর বানী, ২৪ অক্টোবর ২০১৫

333UN 70UN Secretary-General Ban Ki-moon

বিশ্বের প্রতিটি দেশেই জাতীয় পতাকা হলো গর্ব ও দেশপ্রেমের প্রতীক।

কিন্তু শুধুমাত্র একটি পতাকাই আছে যেটি আমাদের সকলের।
জাতিসংঘের সেই নীল পতাকাটি কোরিয়া যুদ্ধ কালে আমার বেড়ে ওঠার সময় আমার জন্য ছিল আশার একটি পতাকা ।

প্রতিষ্ঠার সাত দশক পরও জাতিসংঘ সকল মানব জাতির জন্য একটি আলোকবর্তিকা হিসেবেই রয়ে গেছে।

প্রতিদিন জাতিসংঘ ক্ষুধার্তের জন্য খাদ্যের সংস্থান এবং বাসস্থান থেকে বিতাড়িত মানুষদের জন্য আশ্রয়ের বাবস্থা করে।
বিস্তারিত পড়ুন

২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবসে পৃথিবীর দর্শনীয় স্থাপত্যসমুহ ‘জাতিসংঘের নীলে আলোকিত’ করা হবে।

UN Headquarters lit in UN blue © UN Photoজাতিসংঘের ৭০ তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে, ২৪ অক্টোবর, জাতিসংঘ দিবসে প্রায় ৭৫টির মত দেশে তিনশত’রও অধিক স্মৃতিস্তম্ভ, ভবন, স্থাপত্যমূর্তি, সেতু এবং অন্যান্য স্থাপত্যশৈলী নীল আলোয় আলোকিত করা হবে। এটি বিশ্বব্যাপী একটি নতুন প্রচারণার অংশ যা বিশ্ববাসীকে একতাবদ্ধ হতে সাহায্য করবে এবং শান্তি উন্নয়ন এবং মানবাধিকারের বানী মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিবে।
বিস্তারিত পড়ুন

মানবগোষ্ঠী ও ধরিত্রির জন্য ২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়নের লক্ষে জাতিসংঘে নতুন বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) গৃহীত

Projections on SDGs and UN 70th Anniversary. UN Photo/Cia Pak

২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫: ১৯৩ সদস্য বিশিষ্ট জাতিসংঘ সাধারন পরিষদ আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০৩০ সালের জন্য এক-গুচ্ছ শক্তিশালী নতুন বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রাসহ টেকসই উন্নয়ন এ্যাজেন্ডা নির্ধারণ করে । যেটিকে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন উন্নততর বিশ্ব গড়ার লক্ষে এক সর্বজনীন, সমন্বিত এবং রূপান্তরিত রূপকল্প বলে অভিহিত করেছেন।

এই নতুন এ্যাজেন্ডা সকল জায়গার সকল মানুষের প্রতি বিশ্ব নেতাদের একটি প্রতিশ্রুতি। এটি সকল মানবের জন্য সর্ব প্রকার দারিদ্র বিলোপের একটি এ্যাজেন্ডা – এটি ধরিত্রী যা আমাদের সকলের আবাসস্থল এর একটি এ্যাজেন্ডা । মিঃ বান টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা শীর্ষসন্মেলন শুরুর সময় এটি ঘোষণা করেন, যা আজ শুরু হয়েছে এবং রবিবার এর পরিসমাপ্তি ঘটবে।

বিস্তারিত পড়ুন