বিভাগের আর্কাইভঃ তথ্য কেন্দ্রের কার্যক্রম

UNIC Dhaka’s Activities

নেলসন ম্যান্ডেলা আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস এর বাণী ১৮ জুলাই ২০১৯

আজকের এই দিনে আমরা অসাধারন একজন নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি যিনি সম্মান ও সমতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একজন বৈশ্বিক প্রচারক এবং আমাদের এসময় কালের সর্বোচ্চ আদর্শিক এবং অনুপ্রেরনা প্রদানকারী নেতাদের একজন  সাহসদয়াস্বাধীনতা, শান্তি ও সামাজিক ন্যায় বিচারের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দৃষ্টান্ত নেলসন ম্যান্ডেলা । এসব নীতি দ্বারা প্রভাবিত ছিলো তাঁর জীবন । আর তাই তিনি নিজের স্বাধীনতা এমনকি জীবনের বিনিময়ে এই নীতিগুলো অক্ষুন্ন রেখে গেছেন । 

নেলসন ম্যান্ডেলার সামাজিক ঐক্য এবং বর্ণবাদ নির্মূলের আহবান আজকের ধিক্কার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে জগত ব্যাপী অমানিষার সাথে বিশেষ ভাবে সম্পর্কিত । আমরা যেহেতু সবার জন্য শান্তিস্থিতীশীলতাটেকসই উন্নয়ন ও মানবাধিকার নিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করছিনেলসন ম্যান্ডেলার ধারণাগুলো আমাদের কাজকে ত্বরান্বিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে ।

আমাদের কাজের মাঝেই সর্বোৎকৃষ্ট শ্রদ্ধা নিহিত রয়েছে । বিশ্ববাসীর কাছে নেলসন ম্যান্ডেলার বাণী সুস্পষ্ট । প্রতিক্ষিত পরিবর্তনের লক্ষ্যে আমাদের সকলকে এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে কাজ করতে হবে । এটি করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। আসুননেলসন ম্যান্ডেলার কর্ম ও জীবন চর্চার এই দিনে আমরা তাঁর জীবনাদর্শ সাদরে গ্রহণ করি এবং তাঁর মত করে দৃষ্টান্ত স্থাপনে সচেষ্ট হই 

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস এর বাণী, ৩ মে ২০১৯

একটি মুক্ত গণমাধ্যম শান্তি, ন্যায়বিচার, টেকসই উন্নয়ন এবং মানবাধিকারের জন্য অপরিহার্য ।

স্বচ্ছ এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যে প্রবেশাধিকার ছাড়া কোন গণতন্ত্রই সম্পূর্ণ নয় । ন্যায্য ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে, নেতাদের জবাবদিহীতায় নিয়ে আসতে এবং ক্ষমতার সামনে সত্য বলার জন্য এটিই হচ্ছে মূল ভিত্তি ।

এটি নির্বাচনী মৌসুমে বিশেষ ভাবে সত্য, যা এবছরের বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের কেন্দ্রবিন্দু ।

মিথ্যা নয় বরং সত্যর মাধ্যমে জনগণকে তাদের প্রতিনিধি নির্ধারনে নির্দেশনা প্রদান করা উচিত ।

এখনো পর্যন্ত প্রযুক্তি তথ্য প্রাপ্তি ও ভাগাভাগিতে রুপান্তর হিসাবে কাজ করছে । কোন কোন সময় মতামতকে বিভ্রান্ত করতে এবং সহিংসতা ও ঘৃণা উসকে দিতে ব্যবহৃত হয় । বিস্তারিত পড়ুন

কক্সবাজারে জাতিসংঘের তিন সংস্থার প্রধান কতৃক সংবাদ সম্মেলন

২৬ এপ্রিল ২০১৯: জাতিসংঘের তিনটি সংস্থার প্রধান– জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) হাইকমিশনার, ফিলিপ্পো গ্রান্ডি; আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মহাপরিচালক, আন্তোনিও ভিটোরিনো; জাতিসংঘের জরুরি ত্রাণবিষয়ক সমন্বয়ক এবং জাতিসংঘের মানবিক বিষয়াদি সমন্বয়কারী অফিসের (ওসিএইচএ) প্রধান মার্ক লোওকক, রোহিঙ্গা শরনার্থীদের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশে আসেন। গত শুক্রবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে কক্সবাজারের স্থানীয় একটি হোটেলে তিন সংস্থার প্রধানকে নিয়ে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রায় ৭০ জন স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পোও সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহন করেন। জাতিসংঘের নেতৃবৃন্দ রোহিঙ্গা শরনার্থী সংকট নিরসনে সকলকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান এবং এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার পাশাপাশি যে কোন সমস্যায় পাশে থাকার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন। সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের ন্যাশনাল ইনফরমেশন অফিসার।

      

বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস এর বাণী, ২ এপ্রিল ২০১৯

বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসে আমরা বৈষম্যের বিরুদ্ধে কথা বলছি, বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের বৈচিত্র্যকে উদযাপন এবং অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পুরোপুরি অন্তর্ভূক্তি ও অংশগ্রহণ নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি জোরদার করছি। নিজেদের সম্ভাবনা পুরোপুরি মেলে ধরতে তাদের সহযোগিতা করা, যা টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০ এর মূল প্রতিশ্রুতি – “কাউকেই পেছনে ফেলে না রাখা’ এর বাস্তবায়নে আমাদের প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এই বছর দিবসটি অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বাধীন জীবনযাপন এবং প্রকৃতপক্ষে, তাদের মূল মানবাধিকারের বিষয়গুলো অনুশীলনে সহযোগিতা করতে সুলভ সহায়ক প্রযুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করছে। উচ্চ ব্যয়, দুষ্প্রাপ্যতা এবং সচেতনতার ঘাটতিসহ এ ধরনের প্রযুক্তি তাদের হাতে পৌঁছাতে বিশ্বজুড়ে এখনো বড় বড় বাধা রয়েছে।

প্রতিবন্ধি ব্যক্তিদের অধিকার বিষয়ক ঘোষণাসহ জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের ঘোষণার মূল্যবোধকে নিশ্চিতকরণে গত বছর আমি নতুন প্রযুক্তির ওপর একটি কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ করি। বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসে, আসুন আমরা সমতা, ন্যায়বিচার ও অন্তর্ভূক্তি- এইসব মূল্যবোধ এবং অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পূর্ণ অংশগ্রহণের এবং তাদের অধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতাসমূহের অনুশীলনের প্রয়োজনীয় উপকরণগুোর নিশ্চয়তার লক্ষে আমাদের প্রতিশ্রুতি পূনর্ব্যক্ত করি।

আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস এর বাণী, ২৪ জানুয়ারি ২০১৯

আজ আমরা প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস পালন করছি।

শিক্ষা জীবনকে রূপান্তর ঘটায়। জাতিসংঘের শান্তির দূত হিসেবে মালালা ইউসুফজাই একবার বলেছিলেন, ‘একটি শিশু, একজন শিক্ষক, একটি বই এবং একটি কলম বিশ্বটাকেই বদলে দিতে পারে।’ নেলসন ম্যান্ডেলা প্রকৃতই শিক্ষাকে ‘বিশ্বকে পরিবর্তনে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

জাতিসংঘে যোগ দেওয়ার কিংবা আমার নিজের দেশে সরকারি দায়িত্ব পালনের বহু আগে আমি শিক্ষকতার পেশায় ছিলাম। আমি দেখেছি, দারিদ্র দূরীকরণ ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি শক্তি হিসেবে লিসবনের কুঁড়েঘরগুলোয় শিক্ষা কীভাবে চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।

আজ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রাণকেন্দ্রে রয়েছে শিক্ষা।

অসমতা কমিয়ে আনতে এবং স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে আমাদের শিক্ষা প্রয়োজন।

লিঙ্গ সমতা অর্জন ও বাল্যবিয়ে রোধে আমাদের শিক্ষা প্রয়োজন।

আমাদের এই গ্রহের সম্পদগুলো রক্ষায় আমাদের শিক্ষা প্রয়োজন। বিস্তারিত পড়ুন

আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেসের বাণী, ২ অক্টোবর ২০১৮

আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবসে আমরা মহাত্মা গান্ধীর দূরদৃষ্টি ও প্রজ্ঞাকে স্মরণ করছি, আজ যাঁর জন্মবার্ষিকী আমরা পালন করছি।

দীর্ঘ সময় ধরে চলা সংঘাত আর জটিল চ্যালেঞ্জের এই সময়ে গান্ধীর অহিংসা দর্শন আজও অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। জাতিসংঘে, সহিংসতামুক্ত একটি বিশ্ব — এবং অহিংসার মাধ্যমে মতপার্থক্য দূরীকরণ আমাদের কাজের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

বৈষম্য মাথাচাড়া দেওয়ার এবং ন্যায্য বিশ্বায়নের অপরিহার্যতার এই সময়ে আমরা সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য গান্ধীর প্রতিশ্রুতির কথাও স্মরণ করছি।

এবং বিশ্বের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, লিঙ্গসমতা নিশ্চিত এবং কাউকেই পেছনে না ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টারত এই সময়ে মানব মর্যাদার প্রতি গান্ধীর প্রতিশ্রুতি আমাদের চলার পথকে আলোকিত করতে পারে।

গান্ধী যেমনটা বলেছেন, ‘অহিংসা বড় শক্তি।’ জাতিসংঘ সনদে এই চেতনা প্রতিধ্বণিত হয়েছে। সনদের ষষ্ঠ অধ্যায়ে শান্তির প্রতি হুমকিগুলো চিহ্নিতকরণে সর্বপ্রথম- আলোচনা, মধ্যস্থতা, সালিশ, বিচারিক নিষ্পত্তি এবং অন্য শান্তিপূর্ণ উপায়গুলো অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

গান্ধী প্রমাণ করেছেন, অহিংসা ইতিহাস পরিবর্তন করতে পারে। কাজেই তাঁর সাহস ও প্রত্যয় থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আসুন আমরা শান্তি প্রতিষ্ঠা কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাই, বিশ্বের সব জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই উন্নয়ন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করি।

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস-এর বাণী ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এ বছর আমরা বিশ্ব শান্তি দিবস পালনের পাশাপাশি মানবাধিকার সর্বজনীন ঘোষনাপত্রের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এই দলিল আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে শান্তি তখনই দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব যখন মানুষ ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও নিপীড়ন থেকে মুক্তি পাবে এবং উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি লাভ করবে।

মানবাধিকার সর্বজনীন ঘোষনাপত্রকে দিকনির্দেশক হিসেবে নিয়ে আমাদের অবশ্যই টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জন নিশ্চিত করতে হবে।

আমি আপনাদের লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করতে, অন্তর্ভূক্তিমূলক সমাজ গঠনে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সোচ্চার হতে উৎসাহিত করছি।

বিদ্যালয়ে, কর্মক্ষেত্রে, বাড়িতে নিজ নিজ ভূমিকা পালন করুন। আপনাদের প্রতিটা পদক্ষেপই গুরুত্বপূর্ণ।

সবার জন্য দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় সবার জন্য মানবাধিকার নিশ্চিত ও তা রক্ষা করতে আসুন আমরা একসঙ্গে কাজ করি।

নববর্ষ উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্টোনিও গুটেরেস-এর ভিডিও বার্তা: বিশ্বের জন্য সতর্কতা – ১ জানুয়ারী ২০১৮

সমগ্র বিশ্বের বন্ধুগণ,

শুভ নববর্ষ।

এক বছর আগে যখন আমি জাতিসংঘে যোগদান করি, তখন ২০১৭ সালকে  শান্তিপূর্ণ বর্ষে পরিণত করার  আবেদন জানিয়েছিলাম।

দুর্ভাগ্যবশত, মূলত এর উল্টোটাই ঘটেছে।

২০১৮ সালের নববর্ষের এই দিনে, আমি কোন আবেদন করছি না। আমি আমাদের এই বিশ্বের জন্য একটি সংকেত অর্থাৎ বিপদ  সংকেত জানাচ্ছি ।

সংঘর্ষ অনেক গভীর হয়েছে এবং নতুন বিপদের উথ্থান ঘটেছে।

স্নায়ু যুদ্ধ পরবর্তী পরমাণু অস্ত্রের বিষয়ে বৈশ্বিক উদ্বেগ এখন সর্বাধিক।

আমাদের চেয়ে জলবায়ুর পরিবর্তন দ্রুততর হচ্ছে । বিস্তারিত পড়ুন

জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারীর যুব ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ

জাতিসংঘের সহায়তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মডেল ইউনাইটেড নেশনস অ্যাসোসিয়েশন (ডিইউমুনা) গত ১৮-২১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে চার দিনব্যাপী জাতিসংঘ মডেল সম্মেলনের আয়োজন করে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব নসরুল হামিদ । বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিজ্ মিয়া সেপ্পো ও এম্বাসেডর ফারুক সোবহান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তার বক্তৃতায়, বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের ওপর আলোকপাত করেন এবং ডেলিগেটদের সাথে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন। মিজ সেপ্পো তার বক্তৃতায় এসডিজি, অভিবাসন, নগরায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা, মানবাধিকার, যুব উন্নয়ন এবং জাতিসংঘের সংস্কারসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন। সম্মেলনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪৫০ জন ডেলিগেট অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাসরিন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন। মাননীয় সংসদ সদস্য ও সংসদে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব নাহিম রাজ্জাক এবং ইউএনডিপি কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদীপ্ত মুখার্জী বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন। এ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন, ঢাকাস্থ জাতিসংঘ তথ্যকেন্দ্রের ন্যাশনাল ইনফরমেশন অফিসার মো. মনিরুজ্জামান এবং ইউনিস্যাব প্রেসিডেন্ট মামুন মিয়াঁ বক্তব্য রাখেন। অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক প্রতিনিধিকে জাতিসংঘের প্রকাশনা ও এসডিজি পোস্ট কার্ড প্রদান করা হয়।

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্টোনিও গুটেরেস এর বাণী – ২৪ অক্টোবর ২০১৭

আমাদের এই বিশ্ব নানামুখী মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে ।

দ্বন্দ ও অসমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

চরম আবহাওয়া এবং মারাত্মক অসমতা ।

পারমাণবিক অস্ত্রশস্ত্র সহ নিরাপত্তা হুমকি ।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের আছে সরঞ্জাম ও সম্পদ । যেটি আমাদের দরকার তা হলো ইচ্ছাশক্তি।

বিশ্বের সমস্যাগুলো সীমান্তসমূহ অতিক্রম করেছে ।

আমাদের ভবিষ্যতকে রূপান্তরে মত পার্থক্যগুলো অতিক্রম করতে হবে।

যখন আমরা সমগ্র জনগণের মানবাধিকার এবং মর্যাদার লক্ষ্য অর্জন করবো তখন একটি শান্তিময়, টেকসই এবং ন্যায়ভিত্তিক বিশ্ব প্রতিষ্ঠিত হবে ।

আসুন এই জাতিসংঘ দিবসে, ‘আমরা জনগণ’ এই রূপকল্পকে বাস্তবতায় পরিণত করি ।

ধন্যবাদ, শুকরান, শিয়ে শিয়ে, মেরসি, স্পাছিবো, গ্রাসিয়াস, ওব্রিগাও ।