ট্যাগ আর্কাইভঃ জাতিসংঘ দিবস

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো-এর বাণী

বাংলাদেশে জাতিসংঘ দিবস উদযাপন করতে পারাটা আমার জন্য সম্মানের, যে দেশের বিশ্বকে জানানোর মতো উন্নয়নের আকর্ষণীয় গল্প রয়েছে।

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এমডিজি) যুগে, মেয়ে শিশু ও কিশোরীদের বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা এবং মেয়েদের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিয়ে শিক্ষার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে লিঙ্গ সমতা আনা অগ্রবর্তী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশও ছিল।

২০০৯ সালে বাংলাদেশ প্রথম দেশ হিসেবে অগ্রসর জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা কৌশল ও কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন করে এবং পরবর্তীকালে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি হ্রাস পরিকল্পনা প্রণয়নে সেনদাই ফ্রেমওয়ার্ক-এর চেতনা অনুসরণ করে।

জাতি হিসেবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় জাতিসংঘ গর্বিত ও বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে পাশে রয়েছে।

বৈশ্বিক পর্যায়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তিরক্ষী পাঠানো সবচেয়ে বড় দেশ হিসেবে; অভবিাসী সংক্রান্ত গ্লোবাল কম্প্যাক্ট -এর প্রথম সারির প্রবক্তা হিসেবে; এবং জি-৭৭ ও জাতিসংঘ তহবিল ও কর্মসূচির নির্বাহী পরিষদগুলোয় অগ্রবর্তী ভূমিকা রেখে শান্তি ও উন্নয়নে অব্যাহতভাবে যথেষ্ট অবদান রেখে চলেছে।

মানবাধিকার পরিষদের চতুর্থ মেয়াদের সদস্যপদের সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমি বাংলাদেশকে বৈশ্বিক, আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে মানবাধিকার রক্ষায় অগ্রবর্তী ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত করি।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বাংলাদেশ উদারভাবে তার দরজা খুলে দিয়েছে। কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং বাংলাদেশ সরকার এই সংকটে প্রথম সাড়া দিয়েছে। সরকারের নেতৃত্ব জীবন রক্ষাকারী সহায়তা ও সুরক্ষা দিতে পদক্ষেপ নিয়েছে। জাতিসংঘ এবং আমাদের অংশীদারেরা এই সংকটে সরকারের সাড়ায় সহযোগিতা দিতে কাজ করতে পেরে গর্বিত।

এমডিজির অর্জনগুলোর ওপর ভিত্তি করে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে এমডিজির অর্জনগুলোর প্রাথমিক অবদানের সুবাদে বাংলাদেশ এখন পরবর্তী মাইলফলক স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উত্তরণের জন্য প্রস্তুত।

এটা মেনে নেওয়া জরুরি যে, এটি টেকসই উন্নয়নের ২০৩০-এজেন্ডা এবং কাউকেই পেছনে পড়ে থাকতে না দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে গৃহীত ১৭টি সুদূরপ্রসারী, জনকেন্দ্রীক, মানবাধিকারভিত্তিক লক্ষ্যের সঙ্গে আন্ত-সম্পর্কিত।

কাউকে পেছনে রেখে নয়- এই প্রতিশ্রুতির অর্থ হলো সমাজের সবার জন্য সব লক্ষ্য ও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে। বাংলাদেশে নারীর অধিকার নিশ্চিত করতে এবং তাদের ক্ষমতায়নের জন্য আরও পদক্ষেপ নেওয়া বিশেষভাবে জরুরি।

এজেন্ডা-২০৩০-এর প্রতিশ্রুতি হলো ‘সবার আগে সবচেয়ে অনগ্রসর পর্যন্ত পৌঁছানো’-মেয়ে শিশুরা পড়ালেখা ছেড়ে বিয়ে করতে বাধ্য হচ্ছে; প্রতিবন্ধী তরুণ নারীরা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ কাজের সুযোগ পাচ্ছেন না; মাদকসেবীদের প্রয়োজন স্বাস্থ্যসেবা; বাংলাদেশি তরুণ ও শরণার্থী তরুণদের সমাজে অবদান রাখার মতো উৎপাদন দক্ষতা থাকা উচিত। এঁরা সেইসব জনগোষ্ঠীর কিছু অংশ, যাদের কথা অবশ্যই শোনা উচিত। পরিবর্তনের দূত হিসেবে তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। টেকসই উন্নয়ন অর্জনে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, সংগঠন ও তথ্যসহ সুশাসন এবং গণ স্বাধীনতাগুলো নিশ্চিত করতে হবে।

আজকের তরুণদের মধ্যেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ লুকিয়ে আছে- আমাদের উচিত তাদের কথা শোনা ও তাদের ক্ষমতায়ন করা; তাদের সঙ্গে এবং তাদের জন্য আমাদের কাজ তরান্বিত করা। এ বিষয়ে আমি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের উদ্ধৃতি দিচ্ছি:

‘শান্তি, অর্থনৈতিক গতিশীলতা, সামাজিক ন্যায়বিচার, সহনশীলতা-এই সব এবং আরও অনেক কিছু তরুণদের সম্ভাবনাময় ক্ষমতার বিকাশে প্রেরণা জোগানোর ওপর নির্ভর করে। দূরবর্তী সময়ে নয় কেবল, কন্তিু আজই এবং এখনই।’

জাতিসংঘ প্রত্যাশা করে, বাংলাদেশ এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং অন্যান্য বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা, কাউকে পিছিয়ে না রাখা, মানদণ্ড অর্জন এবং সমতা, বৈষম্যহীন ব্যবস্থা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করবে। অংশীদার হিসাবে, জাতিসংঘ সমর্থন দিতে প্রস্তুত।

শুভ জন্মদিন জাতিসংঘ।

মিস. মিয়া সেপ্পো
জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারী
জাতিসংঘ সিস্টেম বাংলাদেশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে কর্মশালা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

01ঢাকা ২৯ অক্টোবর ২০১৬ :  জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে ঢাকাস্থ জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতিসংঘ সমিতি (ডুমুনা) এবং জাতিসংঘ যুব ও ছাত্র সমিতি বাংলাদেশ (ইউনিস্যাব) যৌথ ভাবে দিনব্যাপী এক কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর সি মজুমদার হলে আয়োজিত এই সেমিনারে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ২০০ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। সেমিনারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক (জাতিসংঘ) মোসাম্মত শাহানারা মনিকা বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন এবং জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান  মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডালেম চন্দ্র বর্মণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ডঃ দেলোয়ার হোসেন এবং ঢাকা আহসানিয়া মিশনের পরিচালক ( যোগাযোগ) কাজি আলি রেজা  রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিস্যাব সভাপতি মামুন মিয়া ও ডুমুনা সভাপতি ওয়াহিদ সিদ্দিক। এতে মডেল ইউএন সম্মেলনের বিভিন্ন পদ্ধতি এবং জাতিসংঘ দিবসের প্রাসঙ্গিকতা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়াও একটি চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সেমিনারে উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের মাঝে জাতিসংঘ মহাসচিবের বাণী বিতরণ করা হয়।

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষ্যে সিম্পোজিয়াম আয়োজিত

rc-ai  ২৯ অক্টোবর, ২০১৬: জাতিসংঘ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতিসংঘ সমিতি সিরডাপ মিলনায়তনে ২৯ অক্টোবর এক সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব (দ্বিপক্ষীয় ও কনস্যুলার) জনাব কামরুল আহসান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক সমন্বয়কারী আর্জেন্টিনা মাটাভেল পিচিন সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন  ইতিহাসবিদ অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন এবং সভাপতিত্ব করেন জাতিসংঘ সমিতির সভাপতি বিচারপতি কাজী এবাদুল হক । জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান, জাতিসংঘের মহাসচিবের বাণী পাঠ করেন এবং এটি অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বিতরণ করা হয়। সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় সাবেক স্পিকার কর্নেল(অব.) শওকত আলী এমপি। সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ ও এনজিও প্রতিনিথি, যুব প্রতিনিধি ও শিক্ষাবিদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। সেমিনারের বক্তাবৃন্দ জাতিসংঘের ইতিহাসের উপর আলোক পাত করেন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে শান্তি ও উন্নয়ন প্রক্রিয়া নিশ্চিতকরণে এগিয়ে আসা, পাশাপাশি ২০৩০ এজেন্ডা অর্থাৎ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে সহযোগিতায় আহ্ববান জানান । বাংলাদেশ জাতিসংঘ সমিতির মহাসচিব অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

জাতিসংঘ দিবসে ঢাকায় চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা এবং র‍্যালীর আয়োজন

01    ২৪ অক্টোবার ২০১৬: জাতিসংঘ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকাস্থ জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র, ঢাকাবাসী সংগঠন, লাইফ এবং বাংলাদেশ জাতীয় যুব সংগঠন ফেডারেশন  যৌথভাবে হাজারীবাগ পার্ক কমিউনিটি সেন্টারে এক শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা এবং র‍্যালীর আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আক্তারুজ্জামান এবং বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান । ঢাকাবাসী সংগঠনের সভাপতি শুকুর সালেক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিভিন্ন স্কুল থেকে আগত শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী এই চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও জাতিসংঘের স্মরণিকা প্রদান করা হয়। স্থানীয় সমাজকর্মী ও যুব প্রতিনিধিবৃন্দ এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন, পরে সবার অংশগ্রহণে এক র‍্যালীর আয়োজন করা হয়।

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন-এর বানী, ২৪শে অক্টোবর ২০১৬

featured-image-messages     এ বছরের জাতিসংঘ দিবসটি বিশ্ব এবং জাতিসংঘের সন্ধিক্ষণের একটি পর্যায়ে পালিত হচ্ছে।

২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়নের মহান অঙ্গীকার পূরণের প্রতিশ্রুতিসহ মানবতা টেকসই যুগে প্রবেশ করেছে। সংস্থাটির ৭১তম বছরে, একটি সুস্থ গ্রহে সবার জন্য উন্নততর ভবিষ্যত গড়ার লক্ষ্যে নিজেদের গতিশীল করতে আমাদের রয়েছে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা।

জীবাশ্ম জ্বালানি দাহনই সমৃদ্ধির পথ, দীর্ঘদিন পর বিশ্ব এই মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসছে। রেকর্ড উষ্ণতার একটি সময়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলো রেকর্ড সময়ের ভিতরে জলবায়ু পরিবর্তনের প্যারিস চুক্তি গ্রহণ করেছে। এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপটি আগামী ৪ঠা নভেম্বর কার্যকর হবে। সবুজতর, অধিকতর পরিষ্কার, কম কার্বন নিঃসরণের শ্রেষ্ঠ সম্ভাবনা নিহিত রয়েছে এই ঐতিহাসিক সীমারেখায়। বিস্তারিত পড়ুন

জাতিসংঘ দিবস ও জাতিসংঘের ৭০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘বিশ্বকে জাতিসংঘের নীলে রাঙিয়ে দাও’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

UN Blue Art Contestঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০১৫: জাতিসংঘ দিবস ও জাতিসংঘের ৭০ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঢাকাস্থ জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র, ঢাকাবাসী ও জাতীয় যুব ফেডারেশন যৌথভাবে শিশুদের জন্য একটি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এই প্রতিযোগিতার প্রতিপাদ্য ছিল ‘বিশ্বকে জাতিসংঘের নীলে রাঙিয়ে দাও’। পুরান ধারার ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন লালবাগ কেল্লায় অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন স্থানীয় এমপি হাজী মুহাম্মাদ সেলিম। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। অন্নদের মধ্যে, আয়োজক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ ও স্থানীয় সমাজসেবীগণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন-এর বানী, ২৪ অক্টোবর ২০১৫

333UN 70UN Secretary-General Ban Ki-moon

বিশ্বের প্রতিটি দেশেই জাতীয় পতাকা হলো গর্ব ও দেশপ্রেমের প্রতীক।

কিন্তু শুধুমাত্র একটি পতাকাই আছে যেটি আমাদের সকলের।
জাতিসংঘের সেই নীল পতাকাটি কোরিয়া যুদ্ধ কালে আমার বেড়ে ওঠার সময় আমার জন্য ছিল আশার একটি পতাকা ।

প্রতিষ্ঠার সাত দশক পরও জাতিসংঘ সকল মানব জাতির জন্য একটি আলোকবর্তিকা হিসেবেই রয়ে গেছে।

প্রতিদিন জাতিসংঘ ক্ষুধার্তের জন্য খাদ্যের সংস্থান এবং বাসস্থান থেকে বিতাড়িত মানুষদের জন্য আশ্রয়ের বাবস্থা করে।
বিস্তারিত পড়ুন

২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবসে পৃথিবীর দর্শনীয় স্থাপত্যসমুহ ‘জাতিসংঘের নীলে আলোকিত’ করা হবে।

UN Headquarters lit in UN blue © UN Photoজাতিসংঘের ৭০ তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে, ২৪ অক্টোবর, জাতিসংঘ দিবসে প্রায় ৭৫টির মত দেশে তিনশত’রও অধিক স্মৃতিস্তম্ভ, ভবন, স্থাপত্যমূর্তি, সেতু এবং অন্যান্য স্থাপত্যশৈলী নীল আলোয় আলোকিত করা হবে। এটি বিশ্বব্যাপী একটি নতুন প্রচারণার অংশ যা বিশ্ববাসীকে একতাবদ্ধ হতে সাহায্য করবে এবং শান্তি উন্নয়ন এবং মানবাধিকারের বানী মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিবে।
বিস্তারিত পড়ুন

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে জাতিসংঘের জন্মদিনে ফ্ল্যাশ মব অনুষ্ঠিত

0000000কক্সবাজার, ২১ অক্টোবর ২০১৪:জাতিসংঘের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও জাতিসংঘের জন্মদিনকে উদযাপনের লক্ষ্যে সমুদ্র সার্ফার, লাইফ গার্ড ও স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহনে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে একটি মনোজ্ঞ ও দৃষ্টিনন্দন ফ্ল্যাশ মবের আয়োজন করা হয়। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা, সরকারী কর্মকর্তা, এনজিও কর্মী, তরুণ দল এবং স্থানীয় জনগণ এই আকর্ষনীয় ফ্ল্যাশ মবটিতে অংশগ্রহন করেন । স্থানীয় জনগনের মাঝে দিবসের বার্তা পৌঁছে দিতে টি-শার্ট, ব্যানার, পোস্টার ও প্ল্যাকার্ড ব্যাবহার করা হয়। বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া অনুষ্ঠানটি ধারণ ও প্রচার করে। অনুষ্ঠানস্থলে একটি রক্তদান কর্মসূচীরও আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান দুটি যৌথভাবে আয়োজন ও তত্ত্বাবধান করে ঢাকাস্থ  জাতিসংঘ তথ্যকেন্দ্র, জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা এবং জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা। জাতিসংঘের কমিউনিকেশন টিম ও জাতিসংঘ কান্ট্রি টিমের পরিকল্পনায় ‘সাতটি বিভাগ, সাতটি পথনাট্য, সাতটি এমডিজি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। ফ্ল্যাশ মব লিঙ্কঃ :  youtube

জাতিসংঘ দিবসে কক্সবাজার শহীদ মিনারে ‘সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা’ বিষয়ে পথনাটক মঞ্চস্থ

banner-10Play.01কক্সবাজার, ২১ অক্টোবর ২০১৪: জাতিসংঘ দিবস পালন উপলক্ষ্যে ঢাকাস্থ জাতিসংঘ তথ্যকেন্দ্র (UNIC Dhaka), জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (UNHCR) ও জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (UNESCO) যৌথভাবে কক্সবাজার জেলায় সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ২য় লক্ষ্য অর্থাৎ  সর্বজনীন  প্রাথমিক শিক্ষা  বিষয়ে গত ২১ অক্টোবর ২০১৪ একটি পথনাটকের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানটির মূল উদ্দেশ্য ছিল সমাজের সকল স্তরের মানুষের মাঝে প্রাথমিক শিক্ষার ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি করা যা জীবনব্যাপী শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রগতির অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে তাদের প্রতিশ্রুতির কথা পুনঃব্যক্ত করেন।  ত্রাণ, শরণার্থী ও প্রত্যাবসন বিষয়ক কমিশনার ও বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম সচিব জনাব ফরিদ উদ্দিন ভুইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলঙ্কৃত করেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক জনাব রুহুল আমিন। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার প্রতিনিধি স্টিনা লাংডেল অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাপান দূতাবাসের অনারারি কন্সাল জেনারেল মুহাম্মদ  নুরুল ইসলাম, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোস্তাক আহমেদ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এস. এম. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী,  সহকারী পুলিশ সুপার নতুন চাকমা এবং সহকারী সিভিল সার্জন ডা. মহিউদ্দিন মো. আলমগীর। ঢাকাস্থ জাতিসংঘ তথ্যকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন।  জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, সরকারী কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবক, সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণ সহ প্রায় ৫ শতাধিক লোক অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও কক্সবাজার শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে এক রক্তদান কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। জাতিসংঘের কমিউনিকেশন টিম ও জাতিসংঘ কান্ট্রি টিমের পরিকল্পনায় ‘সাতটি বিভাগ, সাতটি পথনাটক, সাতটি এমডিজি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল ঢাকাস্থ জাতিসংঘ তথ্যকেন্দ্র, জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ও জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা।