বাংলাদেশে জাতিসংঘ দিবস পালন – পত্রিকা ক্রোড়পত্র, ২৪ অক্টোবর ২০১৬

14711472_1239418022787132_6068649651765503294_o

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন-এর বানী, ২৪শে অক্টোবর ২০১৬

featured-image-messages     এ বছরের জাতিসংঘ দিবসটি বিশ্ব এবং জাতিসংঘের সন্ধিক্ষণের একটি পর্যায়ে পালিত হচ্ছে।

২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়নের মহান অঙ্গীকার পূরণের প্রতিশ্রুতিসহ মানবতা টেকসই যুগে প্রবেশ করেছে। সংস্থাটির ৭১তম বছরে, একটি সুস্থ গ্রহে সবার জন্য উন্নততর ভবিষ্যত গড়ার লক্ষ্যে নিজেদের গতিশীল করতে আমাদের রয়েছে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা।

জীবাশ্ম জ্বালানি দাহনই সমৃদ্ধির পথ, দীর্ঘদিন পর বিশ্ব এই মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসছে। রেকর্ড উষ্ণতার একটি সময়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলো রেকর্ড সময়ের ভিতরে জলবায়ু পরিবর্তনের প্যারিস চুক্তি গ্রহণ করেছে। এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপটি আগামী ৪ঠা নভেম্বর কার্যকর হবে। সবুজতর, অধিকতর পরিষ্কার, কম কার্বন নিঃসরণের শ্রেষ্ঠ সম্ভাবনা নিহিত রয়েছে এই ঐতিহাসিক সীমারেখায়। বিস্তারিত পড়ুন

চট্রগ্রাম প্রেস ক্লাবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বিষয়ে সেমিনার আয়োজিত

01চট্রগ্রাম,মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০১৬: চট্রগ্রাম প্রেস ক্লাব এবং নিপ্পণ একাডেমীর সহযোগিতায় ঢাকাস্থ জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র চট্রগ্রাম প্রেস ক্লাব অডিটোরিয়ামে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ে একটি সেমিনারের আয়োজন করে।  বিভাগীয় পর্যায়ে এসডিজি প্রচারণা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি’র ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে  জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সেমিনারটির আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য বাংলাদেশে এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার মূল ভূমিকা পালন করছে। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো কর্তৃক ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০ গৃহীত হয় । সেমিনারে  জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান, এসডিজি  উন্নয়ন  লক্ষ্যমাত্রা এবং তার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করেন। জাতিসংঘ মহাসচিবের বাণী উদ্ধৃতি করে তিনি বলেন কাওকে বাদ না রেখে এই উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে, এবং জাতিসংঘ এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এবং অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করে চলেছে। বিস্তারিত পড়ুন

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বিষয়ক সেমিনার


Warning: A non-numeric value encountered in /home/unicwp/public_html/wp-content/plugins/lightbox-gallery/lightbox-gallery.php on line 570

e.

চট্রগ্রাম, বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০১৬: টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা-২০৩০ অর্জনে তরুণদের সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে ঢাকাস্থ জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র এবং চট্রগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি যৌথভাবে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বিষয়ে একটি সেমিনারের আয়োজন করে। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন  জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান। চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য ডঃ মাহফুজুল হক চৌধুরী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন এবং বিশেষ হিসেবে বক্তব্য রাখেন  নিপ্পন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও জাপানের অনারারি কনসাল জেনারেল  মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম। জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তার বক্তব্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি  টার্গেট নিয়ে আলোচনা করেন যা ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সদস্যদেশগুলো কর্তৃক গৃহীত হয়। উল্লেখ্য ১৫ বছরের জন্য তৈরী এই ১৭টি  বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা ২০১৬ থেকে শুরু হয়ে ২০৩০ সাল নাগাদ অর্জনের সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে। উন্মুক্ত  আলোচনা পর্বে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে  জাতিসংঘের মানবিক কার্যক্রমের ওপর একটি ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। উপস্থিত ছাত্রছাত্রীর মাঝে জাতিসংঘের প্রকাশনাসহ এসডিজি  পোষ্টকার্ড বিতরণ  করা হয় ।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো মডেল জাতিসংঘ সম্মেলন ২০১৬

untitled-1  রাজশাহী, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬: জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের সহযোগিতায় বাংলাদেশ জাতিসংঘ যুব ও ছাত্র সমিতি গত ২৯ সেপ্টেম্বর  থেকে ০২অক্টোবর  পর্যন্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চার দিনব্যাপী “ইউনিস্যাব মডেল জাতিসংঘ সম্মেলন ২০১৬” আয়োজন করে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তিন শতাধিক প্রতিনিধি এই মডেল সম্মেলনে অংশ নেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের  সহযোগী অধ্যাপক ও ছাত্র উপদেষ্টা মোঃ মিজানুর রহমান, জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান এবং সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক মোঃ সাদেকুল আরেফিন মাতিন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন। ইউনিস্যাব সভাপতি মামুন মিয়া উদ্বোধনী পর্বে সভাপতিত্ব করেন। জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  এসডিজি লক্ষ্য মাত্রা অর্জনে ও জাতি গঠনে তরুণ নেতাদের সংযুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। এই ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল বিশ্ব সম্প্রদায়ের মাঝে অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সন্ধি। বিস্তারিত পড়ুন

আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন এর বানী: ২ অক্টোবর ২০১৬

gunপ্রতি বছর আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবসের এই দিনে আমরা শান্তির লক্ষ্যে আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনঃব্যক্ত করি, যার ভিত্তি মহাত্মা গান্ধীর জীবনদর্শন, যিনি ১৪৭ বৎসর পূর্বে এই দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

আমরা জানি যে, অহিংসার সংস্কৃতি অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে শুরু হয়, যা সেখানেই থেমে থাকে না। শান্তিকে লালন করতে হলে আমাদের অবশ্যই প্রকৃতিকে শ্রদ্ধা জানাতে হবে। আমি আনন্দিত এ বছরের আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবসে স্থিতিশীলতা ও পরিবেশের উপর আলোকপাত করা হয়েছে।

গান্ধী তাঁর প্রতিটি কাজে সকল জীবিত বস্তুর প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতাকে সন্মান দেখিয়েছেন। তিনি আমাদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে “ধরিত্রী প্রতিটি লোকের প্রয়োজন মেটাতে যথেষ্ট দিয়েছে, কিন্তু লোভ মেটাতে নয়”। এছাড়া আমরা পৃথিবীর যেরকম পরিবর্তন দেখতে চাই তা করার  চ্যালেঞ্জ গান্ধী আমাদের সামনে রেখেছে।

বিস্তারিত পড়ুন

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত

111
ঢাকা,১লা অক্টোবর ২০১৬: গত ২৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসকে সামনে রেখে ঢাকাস্থ জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র ও অন্যান্যদের সহযোগিতায়  দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ  ‘প্রবীণদের সমস্যাঃ পরিবার ও সমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠক ঢাকা আহছানিয়া মিশন মিলনায়তনে আয়োজন করে। গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম। এবারের আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘বয়স বৈষম্য দূর করুন’।  গোলটেবিল বৈঠকটিতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রবীণ হিতৈষী সংঘের মহাসচিব ও জরা বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এএসএম আতিকুর রহমান। বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান. তিনি তার বক্তব্যে প্রবীণদের নিয়ে জাতিসংঘের নানা কর্মসূচি ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন জাতিসংঘ সকল ধরণের বৈষম্য বিরোধী। প্রবীণ বান্ধব চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।  সভাপতি কাজী রফিকুল আলম বলেন, ঢাকা আহছানিয়া মিশন প্রবীণদের সেবা করার জন্য দুইটি জরা বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট গড়ে তুলবে।  দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের যুগ্ম সম্পাদক কাজী আলী রেজা গোলটেবিল বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন। গোলটেবিল বৈঠকের ক্রোড়পত্র ১লা অক্টোবর দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ-এ প্রকাশিত হয়। – ক্রোড়পত্রটি দেখতে ক্লিক করুন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন-এ বাংলাদেশে জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারী রবাট ওয়াটকিন্স-এর ভিডিও বক্তব্যঃ ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬

জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসডিজি ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

১৬ আগস্ট ২০১৬: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডঃ আআমস আরেফিন সিদ্দিক গত ১৬ আগস্ট  ঢাকাস্থ  জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র আয়োজিত ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতিসংঘ সমিতির সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এসডিজি বিষয়ক এক ক্যাম্পেইন এর উদ্ধোধন করেন। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে মাননীয় উপাচার্য বলেন যে, এমডিজি অর্জনে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন যে এই প্রবণতা এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অব্যাহত থাকবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধনকালে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের ইতিবাচক ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে জাতিসংঘের বেশকিছু সংস্থার অবদানের কথা স্মরণ করেন।
জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, জাতীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার বার্তাসমূহ প্রচার এবং এগুলোকে ধারণ করার জন্য সর্বজনীন অংশগ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে তরুণদের অংশগ্রহণও নিশ্চিত করতে হবে। ডুমুনা এবং জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র যৌথভাবে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘমেয়াদী এসডিজি প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ঐক্যমত প্রকাশ করে। ডুমুনার মডারেটর ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ডঃ দেলোয়ার হোসেন তার উদ্বোধনীতে বক্তব্যে এই প্রচারণমূলক কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। ডুমুনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণ করেন।

বিশ্ব মানবতা দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন এর বানী, ১৯ আগস্ট ২০১৬

featured-image-sgmessageআজ রেকর্ড পরিমাণ ১৩ কোটি মানুষ বেঁচে থাকার জন্য মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। এই সাহায্য প্রার্থী মানুষদের এক সঙ্গে দলবদ্ধ করা হলে পৃথিবীর দশম জনবহুল দেশ গঠিত হবে ।

এই সংখ্যাগুলো সত্যিই বিস্ময়কর, কিন্তু তা এই ঘটনার একটি ভগ্নাংশ মাত্র ।  এই পরিসংখ্যানের পিছনে লুকায়িত আছে ব্যক্তি, পরিবার ও সম্প্রদায় যাদের জীবন এখন  বিধ্বস্ত।  আপনার ও আমার প্রতি অভিন্ন মানুষ, যেমন  শিশু, নারী এবং পুরুষ তারা  প্রতিদিন অসম্ভব সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হচ্ছে। এই মাতাপিতাগন তাদের সন্তানদের জন্য হয় খাদ্য অথবা ঔষধ কেনার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছেন।  এই ছেলেমেয়েরা হয় স্কুলে যাওয়া অথবা পরিবারকে সহায়তায় কাজে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে।  এই পরিবারগুলো হয় বোমাবর্ষণের ঝুঁকিসহ বাড়িতে অবস্থান করছেন অথবা বাধ্য হচ্ছেন বিপদজ্জনক ভাবে সমুদ্র পাড়ি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে।

এই সংকট যা এই মানুষগুলোকে আশাহীন কষ্টে ফেলে দিয়েছে তা সমাধানের উপায় সহজ বা তড়িৎ নয়।   কিন্তু  কিছু জিনিষ আছে, যা আমরা সবাই আজ এবং প্রতিদিন করতে পারি । আমরা সমবেদনা দেখাতে পারি, আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে পারি, এবং আমরা পরিবর্তনের জন্য কাজ করতে পারি। বিস্তারিত পড়ুন