বিভাগের আর্কাইভঃ জাতিসংঘ মহাসচিবের বাণী

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্টোনিও গুটেরেস এর বাণী – ২৪ অক্টোবর ২০১৭

আমাদের এই বিশ্ব নানামুখী মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে ।

দ্বন্দ ও অসমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

চরম আবহাওয়া এবং মারাত্মক অসমতা ।

পারমাণবিক অস্ত্রশস্ত্র সহ নিরাপত্তা হুমকি ।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের আছে সরঞ্জাম ও সম্পদ । যেটি আমাদের দরকার তা হলো ইচ্ছাশক্তি।

বিশ্বের সমস্যাগুলো সীমান্তসমূহ অতিক্রম করেছে ।

আমাদের ভবিষ্যতকে রূপান্তরে মত পার্থক্যগুলো অতিক্রম করতে হবে।

যখন আমরা সমগ্র জনগণের মানবাধিকার এবং মর্যাদার লক্ষ্য অর্জন করবো তখন একটি শান্তিময়, টেকসই এবং ন্যায়ভিত্তিক বিশ্ব প্রতিষ্ঠিত হবে ।

আসুন এই জাতিসংঘ দিবসে, ‘আমরা জনগণ’ এই রূপকল্পকে বাস্তবতায় পরিণত করি ।

ধন্যবাদ, শুকরান, শিয়ে শিয়ে, মেরসি, স্পাছিবো, গ্রাসিয়াস, ওব্রিগাও ।

আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরেস ও জাতিসংঘ যুব দূত এর ভিডিও বানী

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন-এর বানী, ২৪শে অক্টোবর ২০১৬

featured-image-messages     এ বছরের জাতিসংঘ দিবসটি বিশ্ব এবং জাতিসংঘের সন্ধিক্ষণের একটি পর্যায়ে পালিত হচ্ছে।

২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়নের মহান অঙ্গীকার পূরণের প্রতিশ্রুতিসহ মানবতা টেকসই যুগে প্রবেশ করেছে। সংস্থাটির ৭১তম বছরে, একটি সুস্থ গ্রহে সবার জন্য উন্নততর ভবিষ্যত গড়ার লক্ষ্যে নিজেদের গতিশীল করতে আমাদের রয়েছে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা।

জীবাশ্ম জ্বালানি দাহনই সমৃদ্ধির পথ, দীর্ঘদিন পর বিশ্ব এই মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসছে। রেকর্ড উষ্ণতার একটি সময়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলো রেকর্ড সময়ের ভিতরে জলবায়ু পরিবর্তনের প্যারিস চুক্তি গ্রহণ করেছে। এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপটি আগামী ৪ঠা নভেম্বর কার্যকর হবে। সবুজতর, অধিকতর পরিষ্কার, কম কার্বন নিঃসরণের শ্রেষ্ঠ সম্ভাবনা নিহিত রয়েছে এই ঐতিহাসিক সীমারেখায়। বিস্তারিত পড়ুন

আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন এর বানী: ২ অক্টোবর ২০১৬

gunপ্রতি বছর আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবসের এই দিনে আমরা শান্তির লক্ষ্যে আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনঃব্যক্ত করি, যার ভিত্তি মহাত্মা গান্ধীর জীবনদর্শন, যিনি ১৪৭ বৎসর পূর্বে এই দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

আমরা জানি যে, অহিংসার সংস্কৃতি অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে শুরু হয়, যা সেখানেই থেমে থাকে না। শান্তিকে লালন করতে হলে আমাদের অবশ্যই প্রকৃতিকে শ্রদ্ধা জানাতে হবে। আমি আনন্দিত এ বছরের আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবসে স্থিতিশীলতা ও পরিবেশের উপর আলোকপাত করা হয়েছে।

গান্ধী তাঁর প্রতিটি কাজে সকল জীবিত বস্তুর প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতাকে সন্মান দেখিয়েছেন। তিনি আমাদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে “ধরিত্রী প্রতিটি লোকের প্রয়োজন মেটাতে যথেষ্ট দিয়েছে, কিন্তু লোভ মেটাতে নয়”। এছাড়া আমরা পৃথিবীর যেরকম পরিবর্তন দেখতে চাই তা করার  চ্যালেঞ্জ গান্ধী আমাদের সামনে রেখেছে।

বিস্তারিত পড়ুন

বিশ্ব মানবতা দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন এর বানী, ১৯ আগস্ট ২০১৬

featured-image-sgmessageআজ রেকর্ড পরিমাণ ১৩ কোটি মানুষ বেঁচে থাকার জন্য মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। এই সাহায্য প্রার্থী মানুষদের এক সঙ্গে দলবদ্ধ করা হলে পৃথিবীর দশম জনবহুল দেশ গঠিত হবে ।

এই সংখ্যাগুলো সত্যিই বিস্ময়কর, কিন্তু তা এই ঘটনার একটি ভগ্নাংশ মাত্র ।  এই পরিসংখ্যানের পিছনে লুকায়িত আছে ব্যক্তি, পরিবার ও সম্প্রদায় যাদের জীবন এখন  বিধ্বস্ত।  আপনার ও আমার প্রতি অভিন্ন মানুষ, যেমন  শিশু, নারী এবং পুরুষ তারা  প্রতিদিন অসম্ভব সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হচ্ছে। এই মাতাপিতাগন তাদের সন্তানদের জন্য হয় খাদ্য অথবা ঔষধ কেনার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছেন।  এই ছেলেমেয়েরা হয় স্কুলে যাওয়া অথবা পরিবারকে সহায়তায় কাজে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে।  এই পরিবারগুলো হয় বোমাবর্ষণের ঝুঁকিসহ বাড়িতে অবস্থান করছেন অথবা বাধ্য হচ্ছেন বিপদজ্জনক ভাবে সমুদ্র পাড়ি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে।

এই সংকট যা এই মানুষগুলোকে আশাহীন কষ্টে ফেলে দিয়েছে তা সমাধানের উপায় সহজ বা তড়িৎ নয়।   কিন্তু  কিছু জিনিষ আছে, যা আমরা সবাই আজ এবং প্রতিদিন করতে পারি । আমরা সমবেদনা দেখাতে পারি, আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে পারি, এবং আমরা পরিবর্তনের জন্য কাজ করতে পারি। বিস্তারিত পড়ুন

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন এর বানী – ২৯ মে ২০১৬

01-01

বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন এর বাণী, ২ এপ্রিল ২০১৬

Participants at the UN General Assembly special event on the occasion of World Autism Awareness Day: ‘Autism and the 2030 Agenda: Inclusion and Neurodiversity.’ UN Photo/Rick Bajornas২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা অর্জনের উচ্চাভিলাষী ও সর্বজনীন চ্যালেঞ্জ অনুধাবনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন যাত্রা শুরু করছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আলোকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে অটিজম আক্রান্ত ব্যাক্তিদের সমান অংশগ্রহণ ও কার্যকর সংশ্লিষ্টতা অপরিহার্য।

অটিজম একটি আজীবন পরিস্থিতি, যার শিকার বিশ্বের লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ। অনেক দেশেই এটি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেই এবং অধিকাংশ সমাজই অটিজম আক্রান্ত ব্যাক্তিদের এড়িয়ে চলে।

এটি একটি মানবাধিকার লঙ্ঘন ও মানব সম্ভাবনার অপচয়। আমি অটিজম আক্রান্ত ব্যাক্তিদের মধ্যে গতিশীলতা ও প্রতিশ্রুতি অবলোকন করেছি। এ বছরের শুরুতে নিউইয়কস্থ জাতিসংঘ সদর দফতরে এমন একজন যুবকের সাথে আমার কথা বলার সৌভাগ্য হয়েছিলো। কিভাবে আমরা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারি সে ব্যাপারে তার অভিনব দৃষ্টিভঙ্গির কথা শুনে আমি সত্যিই অভিভূত হয়েছি।
বিস্তারিত পড়ুন

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন-এর বানী, ২৪ অক্টোবর ২০১৫

333UN 70UN Secretary-General Ban Ki-moon

বিশ্বের প্রতিটি দেশেই জাতীয় পতাকা হলো গর্ব ও দেশপ্রেমের প্রতীক।

কিন্তু শুধুমাত্র একটি পতাকাই আছে যেটি আমাদের সকলের।
জাতিসংঘের সেই নীল পতাকাটি কোরিয়া যুদ্ধ কালে আমার বেড়ে ওঠার সময় আমার জন্য ছিল আশার একটি পতাকা ।

প্রতিষ্ঠার সাত দশক পরও জাতিসংঘ সকল মানব জাতির জন্য একটি আলোকবর্তিকা হিসেবেই রয়ে গেছে।

প্রতিদিন জাতিসংঘ ক্ষুধার্তের জন্য খাদ্যের সংস্থান এবং বাসস্থান থেকে বিতাড়িত মানুষদের জন্য আশ্রয়ের বাবস্থা করে।
বিস্তারিত পড়ুন

আন্তর্জাতিক যুব দিবস ১২ আগস্ট ২০১৫: জাতিসংঘ মহাসচিবের বাণী

173378উদীয়মান হুমকি, সহিংস চরমপন্থা, পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক সংকট এবং সামাজিক রূপান্তর এগুলো একত্রে বিশ্ব যুব সমাজের চ্যালেঞ্জসমূহকে উচ্চমাত্রায় নিয়ে যাচ্ছে। এই সমস্যাগুলো কি এবং তা নিরসনের শ্রেষ্ঠ উপায় কোনটি – তা তাদের চেয়ে ভালভাবে কেউ জানে না। এই জন্য আমি যুব সমাজকে আহ্বান জানাচ্ছি তাদের বক্তব্য তুলে করতে – এবং নেতাদের তাড়না দিচ্ছি তা শুনতে।

যেহেতু বিশ্ব এক অভূতপূর্ব গতিতে পরিবর্তিত হচ্ছে, একই ধারায় যুব সমাজ প্রমাণ করছে যে তারা উন্নত ও অর্থবহ সমাধান প্রদানের ক্ষেত্রে অমূল্য অংশীদার। তরুণ ও ছাত্র সংগঠনের আন্দোলন চিরাচরিত ক্ষমতার ভিত্তিকে চ্যালেঞ্জ করছে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের মাঝে নতুন এক চুক্তির পক্ষে কথা বলছে।  তরুণ নেতৃত্ব দিয়েছে অভিনব চিন্তা, নিয়েছে সক্রিয় ব্যবস্থা, এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সহায়তায় হয়েছে সুসংহত, যা পূর্বে কখনো হয় নি। বিস্তারিত পড়ুন

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন এর বাণী, ২১শে জুন ২০১৫

yogo.layout1এ বছর ভারত পরিদর্শনকালে আমি আমার একজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার সঙ্গে যোগ অনুশীলন করার সুযোগ পেয়েছিলাম। যদিও তিনি ওই দেশের ছেলে, কাজটি আমি একই ভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অন্য অনেক সহকর্মীর সাথেও করতে পারতাম। যোগ একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবেশ থেকে আসা প্রাচীন শৃঙ্খলা, যেটি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং প্রতিটি এলাকার অনুশীলনকারীদের কাছে উপভোগ্য হয়ে উঠেছে। ২১শে জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই ধারাবাহিক অনুশীলনের গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাগুলোকে এবং জাতিসংঘের নীতি ও চেতনার সাথে এর সহজাত উপযুক্ততাকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
বিস্তারিত পড়ুন