বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস এর বাণী – ২০ জুন ২০১৮

আপনাকে যদি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত করা হয়, আপনি কী করবেন?

আজ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সংঘাত বা নিপীড়নের কারণে ৬ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি মানুষ শরণার্থী কিংবা অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যূত।

এই সংখ্যা বিশ্বের ২০তম বৃহৎ দেশের জনসংখ্যার সমান।

গত বছর প্রতি দুই সেকেন্ডে একজন করে বাস্তুচ্যূত হয়েছে।

অধিকাংশই দরিদ্রতম দেশগুলোয়।

বিশ্ব শরণার্থী দিবসে, এই মানুষগুলোকে সাহায্য করতে আরও কী কী করতে পারি আমরা, তা অবশ্যই ভাবা উচিত আমাদের।

উত্তরের শুরু ঐক্য আর সংহতিতে।

এমন আরও অধিক পরিস্থিতি যেখানে শরণার্থীরা তাদের প্রয়োজনীয় ও প্রাপ্য সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে, তা দেখার আশঙ্কায় আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

আন্তর্জাতিক শরণার্থী সুরক্ষা ব্যবস্থার অখন্ডতা আমাদের পুনঃপ্রতিষ্ঠা প্রয়োজন।

আজকের বিশ্বে যুদ্ধ বা নিপীড়ন থেকে পলায়নরত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়া কোনো সমাজ বা দেশকেই একা ও সমর্থনহীন রাখা উচিত নয়।

একজোট না হলে আমরা ব্যর্থ হবো।

এ বছর, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় শরণার্থীদের বিষয়ে বৈশ্বিক উদ্যোগ বা গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন রিফিউজিস উপস্থাপন করা হবে।

এতে অগ্রসর হওয়ার উপায় এবং আশ্রয় দানকারী সমাজে শরণার্থীদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

যতদিন পর্যন্ত যুদ্ধ ও নিপীড়ন থাকবে, ততদিন পর্যন্ত শরণার্থী থাকবে।

বিশ্ব শরণার্থী দিবসে, আমি তাদের স্মরণ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

তাদের গল্প সক্ষমতা, উদ্যম আর সাহসিকতার।

আমাদের গল্পটা হওয়া উচিত সংহতি, সমবেদনা আর পদক্ষেপের।

ধন্যবাদ।